Events

বিশ্ববিখ্যাত সাধক ও দার্শনিক কবি মৌলানা রুমি (রহ.) রচিত মসনভি পাঠ

বিশ্ববিখ্যাত সাধক ও দার্শনিক কবি মৌলানা রুমি (রহ.) রচিত মসনভি পাঠের ২৫তম আসর গত ২৮ অক্টোবর ২০১৭, শনিবার ঢাকার বারিধারাস্থ ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) এর কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। আল্লামা রুমি সোসাইটি বাংলাদেশ আয়োজিত এই আসর ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউআইটিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এস আর হিলালী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইউআইটিএস এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা রুমি সোসাইটি বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান। শুরুতে মসনভি শরিফ থেকে পাঠ করেন মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ ভূঞা। পঠিত অংশের অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও আলোচনা করেন বিশিষ্ট মসনভি গবেষক ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আল্লামা রুমি সোসাইটির গবেষক মুহাম্মদ ওমর ফারুক। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ইউআইটিএস এর ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামরুল হাসান ও স্কুল অব বিজনেস এর ডীন প্রফেসর ড. সিরাজ উদ্দীন আহমেদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, আমেরিকায় সফরকালে একটি পত্রিকার প্রতিবেদনের শিরোনাম দেখেছিলাম ‘আমেরিকায় রুমির রাজত্ব’। এ থেকে অনুমান করা যায়, পাশ্চাত্য জগতে রুমির চিন্তাধারা কীরূপ কালজয়ী। বিশেষ করে পাশ্চাত্যের তরুণ মানসকে মৌলানা রুমির প্রেমদর্শন জয় করে নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, মৌলানা রুমির দর্শনের সাথে ঘনিষ্ট হতে পারলে আমরা আলোকিত হতে পারব, জ্ঞানে সমৃদ্ধ হব, মনের ঐশ্বর্যে বলিয়ান হব। আমাদের পারিবারিক জীবন শান্তিময় হবে এবং আল্লাহর সাথে আমাদের হৃদয়ের বন্ধন মজবুত হবে। কাজেই আমরা মসনভি পাঠের আসরকে ইউআইটিএস এর স্থায়ী প্রোগ্রাম হিসেবে পরিচালনা করব। সভাপতির ভাষণে অধ্যাপক ড. এস আর হিলালী বলেন, আমি মৌলানা রুমিকে উপলব্ধি করার চেষ্টা করি; কিন্তু নিজস্ব সীমাবদ্ধতার কারণে রুমির প্রেমের জগতে প্রবেশ করতে পারি নি। মৌলানা রুমি রূহের জগত হতে মর্ত্য জগতে মানুষের আগমন, আবার সেই জগতে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যাওয়ার ক্রন্দনকে গল্পের আকারে কাব্যমহিমায় ব্যক্ত করেছেন, যা মানুষকে আল্লাহর প্রেমে আকুল করে তোলে। রুমিকে নিয়ে চর্চার ফলে শুধু মুসলিম সমাজ নয়; বরং বস্তু তাড়িত আজকের গোটা বিশ্বের মানব সমাজ শান্তিময় ও প্রেমময় জীবনের সন্ধান পাবে। প্রধান আলোচক অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান বলেন, মানুষ হিসেবে প্রতিনিয়ত আমরা এক প্রকার শূণ্যতা, অসঙ্গতি, হাহাকারে ভূগছি। মৌলানা রুমি এখানে মানব মনের অনুভূতিকে শানিত করে আল্লাহর প্রেমের আগুন জ্বালিয়েছেন। ২৬ হাজার শ্লোকের মসনভি শরিফ সেই প্রেমের মহাকাব্য। মসনভিতে তিনি কুরআন-হাদিসের শিক্ষাসমূহকে গল্পাকারে তুলে ধরে আল্লাহ প্রাপ্তির পথ দেখিয়েছেন। এ কারণে মসনভিকে ফারসি ভাষার কুরআন মাজিদের ভাষ্য নামে আখ্যায়িত করা হয়। আজকের দিনে আমরা মসনভিকে নিয়ে যত বেশি চর্চা করব, মন ও মননের দিক থেকে আমরা তত বেশি সমৃদ্ধ হব। বিদ্বেষ ও হানাহানিতে পূর্ণ সমাজে ভালোবাসার বাতাবরণ সৃষ্টি হবে। ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী বলেন, মসনভিতে আল্লামা রুমি মানুষের রুহের খোরাক যুগিয়েছেন। আল্লাহর প্রেমের আগুন জালিয়ে অন্তরকে নিখাদ করেছেন। তিনি সুফি দর্শনের মূল কথার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, সুফিদের কাছে নামায ও ইবাদত আদায় হওয়ার চেয়ে কবুল হওয়াই মুখ্য। সৃষ্টি জগতে বিরাজমান আল্লাহর রহমতের সাথে মানব হৃদয়ের সংযোগ এবং যোগসূত্রে আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জনই সুফি দর্শনের মূলকথা।

‘বাংলাদেশ এডুকেশন লিডারশীপ’ এওয়ার্ডে ভূষিত হলেন ইউআইটিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. সুপ্রতীপ ঘোষ

 

বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম তথ্য ও প্রযুক্তিভিত্তিক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)- এর সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. সুপ্রতীপ ঘোষ কে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বেস্ট প্রফেসর হিসেবে ‘বাংলাদেশ এডুকেশন লিডারশীপ এওয়ার্ড’ প্রদান করেছে এশিয়ান কনফেডারেশন অব বিজনেস, যার স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার সিএমও এশিয়া এবং রিসার্চ পার্টনার ছিল র্স্টাস অব দ্যা ইন্ডাষ্ট্রি গ্রুপ। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পিএইচপি ফ্যামিলির প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০০৩ সালের ৭ আগস্ট ইউআইটিএস প্রতিষ্ঠাতা করেন, যেখানে ডাটা সায়েন্স, মেশিন লার্নিং প্রযুক্তিতে কম্পিউটার বিজ্ঞানী হিসেবে খ্যাত ড. সুপ্রতীপ ঘোষ পাঠদান এবং গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় ভূমিকা পালন করে আসছেন। উল্লেখ্য যে, লোকহিতৈষী বিশ্বপ্রেমিক হিসেবে পরিচিত সুফি মিজানুর রহমান বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যে অন্যতম।

সিঙ্গাপুর ভিত্তিক সংস্থা সিএমও এশিয়া উচ্চ মানের জ্ঞান বিনিময় কর্মসূচি প্রদান করে থাকে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকা মাননীয় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি ল্যা মেরিডিয়ান রেস্টুরেন্ট ঢাকা তে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ২০১৭ সালের ২৯ অক্টোবর পুরষ্কারটি প্রদান করেন। মন্ত্রি তাঁর বক্তৃতায় ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্য ও উদ্দ্যেশ্য বাস্তবায়নে আইসিটির উত্তরোত্তর কর্মসূচি ও পরিকল্পনার বিবরন অবহিত করেন। তিনি সিএমও এশিয়ার কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশের গণ্যমান্য শিক্ষাবিদ এবং শিল্পপতিদের পুরস্কৃত করার জন্য। বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে ‘দ্যা লিডারশীপ পুরষ্কার’ প্রদান করতে বিজয়ী নির্বাচন করা হয় ইতিহাস ও ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী পাঁচ বছরের গবেষণায় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন গবেষকবৃন্দের ঐকান্তিক গবেষণা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবং গবেষণাপত্র পর্যালোচনা করেন ‘দ্যা ইকোনমিক্স টাইম’ এর প্রাক্তন সিইও এবং ওয়ার্লড এইচ আর ডি কংগ্রেস এর চেয়ারম্যান ড. অরুন অরোরা এবং ওয়ার্লড সিএসআর ডে ও ওয়ার্লড সাসটেইনেবিলিটি’র প্রতিষ্ঠাতা ড. আর এল ভাটিয়া এর মত বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ।

এই পুরষ্কারটি বিভিন্ন বিভাগে পর্যবেক্ষনরত ব্যক্তিবর্গের জন্য সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ পদক হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং শ্রেষ্ঠদের সম্মান জানাতে অনুকরণীয় আদর্শের নমুনা স্থাপন করতে ও আদর্শস্থানীয় নেতা তৈরির উদ্দেশ্যে সবকিছুকে অতিক্রম করে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠান সমূহকে এই পুরষ্কার প্রদান করা হয়। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী অন্যান্য সরকারী ও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ- উপাচার্য এবং প্রসিদ্ধ অধ্যাপক মন্ডলীদের সেইসাথে বিখ্যাত শিল্পপতি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে প্রচার ও বিপননে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের সম্মানে অতীতেও এই পুরষ্কার প্রদান করা হয়েছিল।

ইউআইটিএস-এ আইকিউএসি’র উদ্যোগে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (হেকেপ)- এর অধীনে ইনস্টিটিউশনাল কেয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)- এর তত্বাবধানে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম তথ্য-প্রযুক্তি ভিত্তিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)- এ ‘সেল্ফ অ্যাসেসমেন্ট সার্ভে কোশ্চেনিয়ার’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ অক্টোবর ২০১৭ সোমবার আইকিউএসি প্রজেক্ট পরিচালক জগৎবন্ধু বড়–য়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইউআইটিএস এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ও ইউআইটিএস বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এস আর হিলালী। বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি)- এর বিজনেস বিভাগের অধ্যাপক শান্তি নারায়ন ঘোষ। টেকনিক্যাল সেশনে সেল্ফ অ্যাসেসমেন্ট এর উপরে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন অধ্যাপক শান্তি নারায়ন ঘোষ। কর্মশালায় স্কুল অব বিজনেস এর একটি এবং স্কুল অব সায়েন্স অ্যন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চারটি বিভাগের আইকিউএসি’র সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি প্রজেক্ট এর অতিরিক্ত পরিচালক সুপদ কুমার ঘোষ।

ইউআইটিএস এ ফার্মেসি বিভাগের উদ্যোগে ডায়াবেটিস ও ব্লাড প্রেসার ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

জনসচেতনতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ২০ অক্টোবর ২০১৭, শুক্রবার সকাল ৯ঃ০০ টায় ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)-এর ফার্মেসি বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ডায়াবেটিস ও ব্লাড প্রেসার চেক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠান। ২০ ও ২১ অক্টোবর দুই দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ইউআইটিএস এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফার্মেসির বিভাগীয় প্রধান মো: মোফাজ্জল হোসেন ও এডজাংক ফ্যাকাল্টি ড. সুকুমার ব্যাপারি। ইউআইটিএস এর সকল ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ স্বতস্ফুর্তভাবে তাদের ডায়াবেটিস ও ব্লাড প্রেসার পরীক্ষা করান। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ফার্মেসি বিভাগের প্রভাষক মোঃ মেহেদী হাসান।

ইউআইটিএস-এর আইন বিভাগে মানবাধিকার ও রোহিঙ্গা বিষয়ক আলোচনা সভা

ইউআইটিএস- এর বারিধারা ক্যাম্পাসে আইন বিভাগের উদ্যোগে মানবাধিকার ও রোহিঙ্গা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আনুষ্ঠানটি আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর এ দুটি পর্বে বিভক্ত ছিল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় প্রধান শাহ শ্যামুয়েল কায়জার। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার অধিদপ্তরের সেক্রেটারি জেনারেল ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. মো. শাহজাহান। তিনি রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার অর্জনের লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউআইটিএস- এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, আইন বিভাগের উপদেষ্টা ড. এম. কাহ্ আলম এবং বিভাগের শিক্ষকম-লী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ইকবাল হাসান।