Events

ইউআইটিএস ও এসএসএল এর মাঝে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম তথ্য ও প্রযুক্তি ভিত্তিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) ও এসএসএল ওয়্যারলেস এর সাথে ভর্তি ফি প্রদান সংক্রান্ত একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ১৮ জুলাই ২০১৭ মঙ্গলবার ইউআইটিএস এর সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে ইউআইটিএস- এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং এসএসএল ওয়্যারলেস এর চীফ অপারেটিং অফিসার সমঝোতায় স্বাক্ষর করেন। এ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউআইটিএস এর ফাইন্যান্স ডাইরেক্টর মোঃ মাহফুজুর রহমান ভূইয়া ও ইউআইটিএস বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান। এছাড়া পিএইচপি ফ্যামিলির আইটি বিভাগের প্রধান আব্দুল্লাহ ফরিদ ও ইউআইটিএস এর ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামরুল হাসান এবং স্কুল অব লিবারাল আর্টস অ্যান্ড সোস্যাল সায়েন্সেস এর ডিন ড. আরিফাতুল কিবরিয়া এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অপরপক্ষে এসএসএল ওয়্যারলেস এর ই-কমার্স সার্ভিসের হেড অব ডিপার্টমেন্ট মো: নওয়াত আশাকিন, ডেপুটি ম্যানেজার আহসান হাবিব ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মাহমুদ আল জিলানও এ অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এ সমঝোতার ফলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা স্ব স্ব অবস্থান থেকে ভর্তি সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে।

ইউআইটিএস-এ আইসিএসডিডি-২০১৭ এর আয়োজক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম তথ্য-প্রযুক্তি ভিত্তিক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়- ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)-এ আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর ২০১৭ইং পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক সম্মেলন “ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ক্লাইমেট চেইঞ্জ অ্যান্ড সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট থ্রো ডিজিটালাইজেশন” (আইসিএসডিডি) ২০১৭ আয়োজক কমিটির বিজ্ঞাপন ও মিডিয়া উপ-কমিটির এক সভা কমিটির আহবায়ক সহকারী অধ্যাপক সৈয়দা আফসানা ফেরদৌসীর সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান আলোচক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। সভায় আন্তর্জাতিক সেমিনারকে সুন্দর ও সফলভাবে আয়োজনের জন্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভাটি সঞ্চালনা করেন কমিটির সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক মো: খোরশেদ আলী।

ইউআইটিএস-এ বিজনেস স্টাডিজ বিভাগে অতিথি শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী

ইউআইটিএস-এ ক্লাশ নিচ্ছেন অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী।

বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম তথ্য-প্রযুক্তি ভিত্তিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)-এর বিজনেস স্টাডিজ বিভাগে অতিথি শিক্ষক হিসেবে ক্লাশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের স্বনামধন্য অভিনেত্রী, নারী উদ্যোক্তা, মানবাধিকার কর্মী ও সাবেক সাংসদ সারাহ বেগম কবরী। ১৪ জুন বুধবার ইউআইটিএস-এর ব্যাচেলর অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) প্রোগ্রামের ক্লাশ নেন তিনি। গ্রীষ্মকালীন সেমিস্টার ২০১৭ থেকে বিবিএ প্রোগ্রামের এডজাঙ্ক ফ্যাকাল্টি হিসেবে ‘এন্টারপ্রেনিয়ারশীপ’, ‘লীডারশীপ’ ও ‘ম্যানেজমেন্ট’ এর ক্লাশ নিচ্ছেন ম্যাডাম কবরী।

ইউআইটিএস-এ আইকিউএসি’র উদ্যোগে টিম বিল্ডিং ওয়ার্কশপ

হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (হেকেপ)- এর ইনস্টিটিউশনাল কেয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম তথ্য-প্রযুক্তি ভিত্তিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)- এ টিম বিল্ডিং বিষয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ১৩ জুন ২০১৭ মঙ্গলবার ইউআইটিএস এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক এবং ইউআইটিএস বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান।  অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বগত বক্তব্য দেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এস আর হিলালী এবং শেষে আগত অতিথিদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউআইটিএস এর আইকিউএসি প্রজেক্ট পরিচালক জগৎবন্ধু বড়–য়া।

টেকনিক্যাল সেশনে টিম বিল্ডিংয়ের উপরে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ইউআইটিএস এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং আইকিউএসি প্রজেক্টের পরিচালক জগৎবন্ধু বড়–য়া। কর্মশালায় ইউআইটিএস এর সকল ডিন, হেড ও শিক্ষক- শিক্ষিকা অংশগ্রহণ করেন। প্রেজেন্টেশন শেষে অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক সুপদ কুমার ঘোষ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক তানিয়া তাবাস্সুম তনু।

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান এর ইন্তেকাল

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, সুফি পন্ডিত, দার্শনিক এবং তথ্য প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) এর গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান আজ বারডেম হাসপাতালের ইব্রাহিম কার্ডিওলজি সেন্টারে ইন্তেকাল করেন। প্রয়াত অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনকে প্রাথমিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দেয়া সংগঠন তমদ্দুন মজলিসের মহাসচিব ছিলেন। অধ্যাপক ফরিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলায় ১৯৫০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭০ সালে আবুজর গিফারি কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণীতে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে বি.এস.এস (সম্মান) এবং এম.এস ডিগ্রি লাভ করেন। অধ্যাপক ফরিদ সাংবাদিকতার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন এবং ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ‘দি পিপল’ পত্রিকার উপ সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। পরে তিনি ইরানে চলে যান। ইরানের ইসলামী বিপ্লবের পর তিনি ‘দি তেহরান ইকনমিস্ট’সহ বেশকয়েকটি ইরানী পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। অধ্যাপক ফরিদ রেডিও তেহরানের বাংলা প্রোগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি এ প্রোগ্রাম পরিচালনা করেন। অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান ৩৬ টি গ্রন্থ রচনা করেছেন, যার মধ্যে সাম্প্রতিককালে ‘ইসালমী বিশ্ব দর্শনের রূপরেখা’, ‘চোখের জলে প্রেমের হজ্জ’ এবং ‘আল্লাহ তত্বের শেকর সন্ধানে’ প্রকাশিত হয়েছে।

অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান বেশ কয়েকটি গবেষণা ও সামাজিক- সাংস্কৃতিক সংস্থার সাথে যুক্ত ছিলেন। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, জর্ডানের রয়েল একাডেমি, বাংলাদেশ পলিসি ফোরাম, আল্লামা রুমি সোসাইটি ঢাকা, বাংলাদেশ দর্শনশাস্ত্র সমিতি, বাংলাদেশ অর্থনীতি শিক্ষক সমিটি (বিইটিএ) এবং আবুজর গিফারি সোসাইটি ইত্যাদি। তিনি ইরান থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসার পর শিক্ষার সাথে জড়িত হন। অধ্যাপক ফরিদ দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, লিডিং ইউনিভার্সিটি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে অতিথি শিক্ষক হিসেবে অধ্যাপনা করেন। ইন্তেকালের পূর্বসময় পর্যন্ত তিনি ইউআইটিএস এ অতিরিক্ত শিক্ষক এবং ইউআইটিএস রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অধ্যাপক ফরিদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘সুফি সাধকের বাংলাদেশ’ নামে একটি প্রোগ্রামের মডারেটর ছিলেন। তিনি বাংলা, ইংরেজি, ফারসি, আরবি, উর্দু ও হিন্দি প্রভৃতি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিক বিষয় ও বৈদেশিক সংস্কৃতিতে আগ্রহী ছিলেন এবং বিশ্বের বহুদেশ যেমন ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সিরিয়া, তুরস্ক, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া এবং যুক্তরাজ্য ভ্রমণ করেন। ইসলামী চিন্তাবিদ হিসেবে সুপরিচিত অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান এর ইসলামী চিন্তাধারার বৈশিষ্ট্য ছিলো সুফিবাদ ও আধ্যাত্মিকতা। মৃত্যুর সময় তিনি একমাত্র কন্যা, স্ত্রী, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।