Events

ইউআইটিএস-এ আইকিউএসি’র উদ্যোগে টিম বিল্ডিং ওয়ার্কশপ

হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (হেকেপ)- এর ইনস্টিটিউশনাল কেয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম তথ্য-প্রযুক্তি ভিত্তিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)- এ টিম বিল্ডিং বিষয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ১৩ জুন ২০১৭ মঙ্গলবার ইউআইটিএস এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক এবং ইউআইটিএস বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান।  অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বগত বক্তব্য দেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এস আর হিলালী এবং শেষে আগত অতিথিদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউআইটিএস এর আইকিউএসি প্রজেক্ট পরিচালক জগৎবন্ধু বড়–য়া।

টেকনিক্যাল সেশনে টিম বিল্ডিংয়ের উপরে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ইউআইটিএস এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং আইকিউএসি প্রজেক্টের পরিচালক জগৎবন্ধু বড়–য়া। কর্মশালায় ইউআইটিএস এর সকল ডিন, হেড ও শিক্ষক- শিক্ষিকা অংশগ্রহণ করেন। প্রেজেন্টেশন শেষে অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক সুপদ কুমার ঘোষ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক তানিয়া তাবাস্সুম তনু।

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান এর ইন্তেকাল

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, সুফি পন্ডিত, দার্শনিক এবং তথ্য প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) এর গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান আজ বারডেম হাসপাতালের ইব্রাহিম কার্ডিওলজি সেন্টারে ইন্তেকাল করেন। প্রয়াত অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনকে প্রাথমিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দেয়া সংগঠন তমদ্দুন মজলিসের মহাসচিব ছিলেন। অধ্যাপক ফরিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলায় ১৯৫০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭০ সালে আবুজর গিফারি কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণীতে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে বি.এস.এস (সম্মান) এবং এম.এস ডিগ্রি লাভ করেন। অধ্যাপক ফরিদ সাংবাদিকতার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন এবং ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ‘দি পিপল’ পত্রিকার উপ সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। পরে তিনি ইরানে চলে যান। ইরানের ইসলামী বিপ্লবের পর তিনি ‘দি তেহরান ইকনমিস্ট’সহ বেশকয়েকটি ইরানী পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। অধ্যাপক ফরিদ রেডিও তেহরানের বাংলা প্রোগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি এ প্রোগ্রাম পরিচালনা করেন। অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান ৩৬ টি গ্রন্থ রচনা করেছেন, যার মধ্যে সাম্প্রতিককালে ‘ইসালমী বিশ্ব দর্শনের রূপরেখা’, ‘চোখের জলে প্রেমের হজ্জ’ এবং ‘আল্লাহ তত্বের শেকর সন্ধানে’ প্রকাশিত হয়েছে।

অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান বেশ কয়েকটি গবেষণা ও সামাজিক- সাংস্কৃতিক সংস্থার সাথে যুক্ত ছিলেন। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, জর্ডানের রয়েল একাডেমি, বাংলাদেশ পলিসি ফোরাম, আল্লামা রুমি সোসাইটি ঢাকা, বাংলাদেশ দর্শনশাস্ত্র সমিতি, বাংলাদেশ অর্থনীতি শিক্ষক সমিটি (বিইটিএ) এবং আবুজর গিফারি সোসাইটি ইত্যাদি। তিনি ইরান থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসার পর শিক্ষার সাথে জড়িত হন। অধ্যাপক ফরিদ দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, লিডিং ইউনিভার্সিটি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে অতিথি শিক্ষক হিসেবে অধ্যাপনা করেন। ইন্তেকালের পূর্বসময় পর্যন্ত তিনি ইউআইটিএস এ অতিরিক্ত শিক্ষক এবং ইউআইটিএস রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অধ্যাপক ফরিদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘সুফি সাধকের বাংলাদেশ’ নামে একটি প্রোগ্রামের মডারেটর ছিলেন। তিনি বাংলা, ইংরেজি, ফারসি, আরবি, উর্দু ও হিন্দি প্রভৃতি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিক বিষয় ও বৈদেশিক সংস্কৃতিতে আগ্রহী ছিলেন এবং বিশ্বের বহুদেশ যেমন ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সিরিয়া, তুরস্ক, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া এবং যুক্তরাজ্য ভ্রমণ করেন। ইসলামী চিন্তাবিদ হিসেবে সুপরিচিত অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান এর ইসলামী চিন্তাধারার বৈশিষ্ট্য ছিলো সুফিবাদ ও আধ্যাত্মিকতা। মৃত্যুর সময় তিনি একমাত্র কন্যা, স্ত্রী, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ইউআইটিএস-এ নবীন বরণ ও ইফতার মাহফিল

বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম তথ্য-প্রযুক্তি ভিত্তিক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়- ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)-এর গ্রীষ্মকালীন নবীন বরণ ও ইফতার মাহফিল ০৯ জুন ২০১৭ শুক্রবার বিকাল ৪ টায় ইউআইটিএস অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফখরুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর কম্পিউটার সায়েন্স এ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: কায়কোবাদ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: মাজহারুল হক। অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক এবং ইউআইটিএস বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর উপদেষ্টা ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের স্বাগত জানান ইউআইটিএস এর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এস আর হিলালী। এছাড়াও বক্তব্য বক্তব্য রাখেন সায়েন্স, বিজনেস ও লিবারাল আর্টস স্কুলের ডিনবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে ইউআইটিএস-এর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আ. ন. ম. শরীফ উপস্থিত সকল আমন্ত্রিত অতিথিদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ এবং ইউআইটিএস-এর ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো: কামরুল হাসান, সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।

ইউআইটিএস এ এলআইসিটি (লিভারেগিং আইটি) প্রোগ্রাম

বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম তথ্য ও প্রযুক্তিভিত্তিক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) এ আইসিটি মন্ত্রণালয় ও কম্পিউটার কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে ১ জুন ২০১৭ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয় এলআইসিটি (লিভারেগিং আইটি) প্রোগ্রাম। সিএসই ও আইটি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ইউআইটিএস এর স্কুল অব বিজনেস এর ডিন অধ্যাপক ড. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। প্রধান অতিথি বলেন, ইউআইটিএস এর শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিগতভাবে বিকশিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যত চাকরি বাজারের জন্য উপযুক্ত প্রার্থী হয়ে গড়ে উঠছে। এই প্রশিক্ষণ তাদের কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করবে। এ ধরনের একটি মহতি উদ্যোগের জন্য উপাচার্য আইসিটি মন্ত্রণালয় ও কম্পিউটার কাউন্সিলকে ধন্যবাদ জানান। দ্বিতীয়পর্বের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে ইওয়াই এর কনসালটেন্ট জনাব সুরিয়া শাস্ত্রী ছাত্রদেরকে এ প্রশিক্ষণ প্রকল্প সম্পর্কে ধারনা দেন। সভাপতি তার বক্তব্যে ছাত্রদেরকে সঠিকভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের এবং নির্বাচিত হওয়ার পর যথাযথভাবে তাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পরামর্শ দেন। মূল্যায়ন পরীক্ষায় সফল প্রার্থীদেরকে পরবর্তীতে ১৬০ ঘন্টার একটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিএসই ও আইটি বিভাগের প্রভাষক আব্দুল মোতালেব।

ইমাম খোমেইনি (র.)-এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা হযরত ইমাম খোমেইনি (রহ.)-এর ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ২ জুন, ২০১৭, শুক্রবার, বিকাল ৪ টায় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) মিলনায়তনে ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে ‘ইমাম খোমেইনি (র.): ঐক্য, শান্তি ও সংলাপের অগ্রদূত’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব এইচ টি ইমাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব ড. সৈয়দ মুহাম্মদ এমদাদ উদ্দিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় এ আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. আব্বাস ভায়েজী দেহনাভী ও ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মেদ সোলায়মান। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। এ ছাড়াও আলোচনা রাখেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও গবেষক ড. মুহাম্মাদ ঈসা শাহেদী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেন, ইরানের ইসলামি বিপ্লবের রুপকার ইমাম খোমেইনি ছিলেন জনমানুষের নেতা। তাঁর বিপ্লব আমাদেরকে প্রেরণা দিয়ে চলেছে।

অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ইমাম খোমেইনি ছিলেন, বিশ্ব ইতিহাসের একজন সফল নায়ক। তিনি সা¤্রাজ্যবাদী শক্তির মোকাবেলায় দাঁড়িয়ে ইরানে ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলেন। তিনি তৃতীয় বিশ্বের মানুষকে বিপ্লবী চেতনায় অনুপ্রাণিত করেছেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকাস্থ ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. আব্বাস ভায়েজী দেহনাভী বলেন, ইমাম খোমেইনি ছিলেন শান্তিপূর্ণ গণবিপ্লবের প্রবক্তা। তিনি ইরানের তরুণসমাজকে নিরস্ত্র বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ করেন এবং এই বিপ্লবের বিজয় ছিনিয়ে আনেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কালচারাল কাউন্সেলর সৈয়দ মুসা হুসাইনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) এর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান, রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টারের পরিচালক ইরশাদ আহমেদ শাহীনসহ দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ ও ব্যক্তিবর্গ এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।